Showing posts with label কবিতার গবেষণাগার. Show all posts
Showing posts with label কবিতার গবেষণাগার. Show all posts

Saturday, February 26, 2022

সৌতিক হাতীর কবিতা ।। Poems by Soutik Hati

সৌতিক হাতীর কবিতা 



অন্ধকারে লেখা...



অন্ধকারে বুক চিতিয়ে দাঁড়াই

          ছায়ার সাথে ছু কিত কিত খেলা

এখানে এখন শুকিয়ে যাওয়া নদী

           বন্ধ মনের অ্যালকোলাহল মেলা


মগ্ন দিনের ভগ্ন শপথ ফেলে

           নদী ভেসে গ্যাছে নিষিদ্ধ অঞ্চলে

স্মৃতি জেগে আছে সিগন্যালে সাইরেনে

             ভুল আবেশেই গ্রন্থি সব  খোলে


তুমি জেনে গ্যাছো রোবটের ঘরবাড়ি

              সিন্থেটিক গোলাপ ফুটেছে টবে

কাচঘরে আর শ্রাবণ আসে না চোখে

     সব জল আজ জমে গ্যাছে  বৈভবে


প্রত্ন দিনের মগ্ন সে পথ ছেড়ে

       হৃদি ভেসে গ্যাছে প্রসিদ্ধ নগরীতে

তুমি মেতে গ্যাছো মখমলে আইফোনে

      ভুল আবেশেই কবি সব আছে মেতে


অন্ধকারে সুখ বিছিয়ে পালাই

         মায়ার সাথে ফের লুকোচুরি খেলা

এখানে এখন শুকিয়ে যাওয়া নদী

     যদি পারো কিছু ঢেউ এনো এই বেলা



প্রলাপ


কৈশোরে ছিল অলীক স্বপ্ন অদম্য ঈগল

ফার্স্টবয় ফার্স্টবেঞ্চ কবিতা তবলা পুরস্কার

সাথে অব্যক্ত বিদিশার নিশা চেপে রাখা বিউগল

একদা বইপোকা শৈশব জুড়ে ভার্চুয়াল অন্ধকার


বিজ্ঞান না কলা বিভাগ এই দ্বন্দ্বে নষ্ট ক'বছর

গোঁফের রেখা পরিণত হওয়ার আগেই আঘাত

যূথী বনে ঝরা ফুল পাতা আঁকড়ে কংসাবতীর শহর

রঙীন গেলাসে মেশে স্মৃতি অ্যাশট্রেতে জমা হয় রাত


উদভ্রান্ত অনার্স যুবক ফার্স্টবয় লাস্টবেঞ্চ খোঁজে

অবক্ষয়ের হিসেব কবিতায় যায় আসে পরিযায়ী

মুমূর্ষু ঈগল চেয়ে থাকে শিকারী শিকার হয় সহজে

হেলেন কিংবা বনলতার অপেক্ষায় ধুঁকছে ধুমপায়ী


ঝড়ের মাঝেও সে এসেছিল সুদেষ্ণা অন্তরীপ

পরিযায়ী পাখিদের প্রলুব্ধ আক্রমনে বিধ্বস্ত আমি

জ্ঞানের অণ্বেষনে মহাভারত থেকে আমার ব-দ্বীপ

সমস্ত ক্ষত সেরে ফসলে ভরেছিল পরিত্যক্ত জমি


নিরাময় পেয়েই কবি  নীল ঘোড়ায় ছোটে

থেমে যাওয়া জরুরী থামো অ্যাড্রিনালিন রাশ

তৃষ্ণার্ত শরীর ইউলিসিসের পিপাসা ঠোঁটে

সুদেষ্ণা বিরাট রাজার দেশে এখানে ঈগলের লাশ


একটি অবাধ্য রাতের বুক চিরে

ঝরে পড়ছে উদ্ধত শিশির বিন্দু,

আবছা চাঁদের আলোয় 

ভেসে উঠছে বিগত দিনের অনুশোচনাময় অন্ধকার...


ছুঁচোর গায়ের গন্ধ আর গলির ঘেয়ো কুকুরের আর্তনাদ গিলে খাচ্ছে স্ট্রিটলাইটের রোশনাই...


এমতাবস্থায় জীবনের হিসেব নিকেশ

বুঝতে চাইছে রাতজাগা নাবিক,

ভুগোলের ক্লাস গ্লোব আর মানচিত্রের 

আঁকিবুকি হাতড়ে হাতড়ে ক্ষণস্থায়ী 

আশ্রয়ের আসন্নমান নির্ণয় করতে চাইছে সে...


চারিপাশে উড়ে যাচ্ছে চৌখস জোনাকি

তার দপ্ দপ্ শিখায় বেজে উঠছে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের বিপ্ বিপ্...

Saturday, December 4, 2021

দেবার্ঘ সেন- এর কবিতা ।। Debarghya Sen

দেবার্ঘ সেন- এর কবিতা




যোগচিহ্নে




সন্তানের জন্য কোনও ভুল হয়ে গেলে

মা আরও বেশী যত্নবান হয়ে ওঠে তার প্রতি

নেপথ্যে থেকে যায়

সামাজিক বিবেক..


ভুল কথা ভেঙে পলাশ দেখা হ'লে

আমরা সন্তর্পণে সাতলানো গুহা থেকে

চেয়ে নেব কর্কটক্রান্তি।


তুমি দেখো, ঝড় থেমে গেলে

আহত পায়রার কাছে এসে দাঁড়াবেই

এক পুকুর চোখ

যোগচিহ্নে চঞ্চল দেবশিশু.. 



মহোপাধ্যায়

............................



রুমালের হাতে হাত রেখে

পৌঁছে যাই সমুদ্রে 


শরীর ভেসে যায়

ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় প্লাবিত হয় দৈনিক 


ঘামজলে ক্রমাগত পৃথক হয়ে যাই

ধাপে ধাপে নামি, 

                    আমি আধমরা 


যে হাত, রুমাল বুনেছিল 

সেই হাত সমুদ্রগর্ভ থেকে ডাকে..

     বৃষ্টিধারা পথ দেখায় 


ঝিনুকের খামে করে আসে 

মহোপাধ্যায় 

               সলিল বিশ্বাস



নীচে তার একটা নীল বেলুন

......................................


হঠাৎ স্বপ্নের মাঝে নীল বেলুন। উড়ছে। বিনা হাইড্রোজেন। কখনও বা পতনশীল। দুম করে একটা আওয়াজ। ফাটার। কে ফাটাল। নেই তো কেউ। আত্মহত্যা। বেলুনও আত্মহত্যা করে। বিস্ময়। অন্তর্বর্তী বায়ু চাপ। নীল বেলুন। নীল মৃতদেহ। আমি ওই বেলুন হলে কেমন হত। লেখার স্বপ্ন। শাল্মলী গন্ধ। হঠাৎ স্বপ্নের মাঝে নীল কালি। ঝরছে। বিনা উদ্দেশ্য। কখনও বা পতনশীল। দুম করে একটা আওয়াজ। ফাটার। কে ফাটাল। নেই তো কেউ। আত্মহত্যা। কালিও আত্মহত্যা করে। বিস্ময়। অন্তর্বর্তী মানসিক চাপ। নীল কালি। নীল মৃতদেহ। আমি ওই কালি হলে কেমন হত। চাবির পাটাতন। কোয়ার্টি। আলফা নিউমেরিক। একটা দাগ জ্বলছে নিভছে। কার্সার। নীচে তার একটা নীল বেলুন।



আজকাল

......................................


কর্মহীন যুবর মাতৃ হৃদয়, খটখটে রোদ

খরা জমি, শুধু উদ্বেগ আর উদ্বেগে

সেদ্ধ হয় রক্ত। 


শকুন ঘরে ফেরে, 

রেডিওতে বেকারত্বের মাত্রাছাড়া হার। 


প্রতিটি ঘর, একেকটা চুল্লি একক 

ঐতিহ্যের পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ে 

অধাতব অক্ষর 


দরজা খুললে আর কোনও আশ্চর্য নেই 

আশ্চর্য আজকাল বড্ড একঘেয়ে।



নিঃসঙ্গ সরলরেখা

...................................



ভৌগোলিকভাবে ফাঁকা ফাঁকা লাগলে

এখন হোয়ার ইজ মাই ট্রেন খুলে দেখি 


রেলপথ কীভাবে একই সূত্রে গেঁথে রেখেছে 

তোমার আমার নিকটবর্তী রেলস্টেশন 

এক আদরের সরলরেখায় 


অনন্ত হাতছানির গল্পে, ছুটে যায় ট্রেন

নিত্য তার ফেরা 

সম্বল বলতে এতোটুকুই 


গন্তব্য ফুরালে সব কামরাই আস্তে আস্তে ফাঁকা..

Friday, December 3, 2021

ইহিতা এরিন ।। Erin

ইহিতা এরিন



 ১. অবশিষ্ট-গণিত 


স্বচ্ছ বাতাসের দামে শুকনো কাচের জীবন বিক্রি হোক
ঘন্টাচুক্তিতে শোনার জন্য ডিগ্রিপ্রাপ্ত কাউকে নিয়োগ দেয়াও অশালীন 

পরস্পর ছুঁয়ে দেখা যাক কররেখা
থিকথিকে বাতাসে চাঁদের ম্যাদামারা ছায়া
কারাগারহীন উতল
ক্ষুধার্ত সকলকে অভ্যন্তরীন রাখার

পরাজিত সিংহের নোনাতিক্তহাসি
মৃগতৃষ্ণিকাময় রঙিন মরুভূমি 
কেবল ঘুমঘুম ভাবলেশহীন অনন্ত নৈঃশব্দ্যযোগ

২. একটি ফ্যাটালিটি সংক্রমিত কবিতা 

নোটারির কালি
উবে গেছে নামে-বেনামে
কোভিডকফিন। প্যানডেমিক ধারাপাত______
বেঁচে থাকা প্রশ্নহীন
আপাতদিক ধূসরখোঁজ
কোন কুক্ষন ~ সবই আপেক্ষিক
দিশাহীন কপর্দক-০ হাত
চলছি কেবল
শব্দহীন পা ~ তবু হাঁটছি  হাঁটছি  হাঁটছি
ঝুরঝুর ~ নিয়তির হাটখোলা
রঙ্গমহলের কররেখা
অনুজীবী তালতাল হাসি
একক আইসোলেশন ____

৩. ১টি পার্থিব; কয়েকটি অপার্থিব অভিমুখী 

০ের পাশে শব্দকে শুইয়ে দিলে 
নৈঃশব্দ দাঁড়িয়ে  
                 অন্ধকারের 
চিবুক ছুঁয়ে
সংখ্যার সাথে শব্দবন্ধ 
জড়ো করলে ওড়ে ~ পোশাকি তারিখ
জীবনের সাথে তারিখ 
সেলাই করলে 
                        আলবৎ
 সংখ্যা-মৃত্যু

আমরা জানি     (মৃত্যু) = (বিয়োগ)

মানুষ মূলত অমর; মৃত্যু তার জন্য ইস্যু নয়
করতলে বয়ে যায় মৃত্যুজ অগণন 

কেননা 
জীবিত মানুষের       মৃত্যু-অভিজ্ঞতা নেই

"পরম চেতনার পথে কবিতা" ( লেখক অরুণ দাস ) বইটি সম্বন্ধে পাঠ প্রতিক্রিয়া ।। চিত্রা ভট্টাচার্য্য, Chitra Bhattacharya

"পরম চেতনার পথে কবিতা" ( লেখক অরুণ দাস ) বইটি সম্বন্ধে পাঠ প্রতিক্রিয়া।  চিত্রা ভট্টাচার্য্য " পরম চেতনার পথে কবিতা ;'...